ঢাকা , রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬ , ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​সড়ক নয়, যেনো মরণফাঁদ *ছোট-বড় দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে *দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৪-২৬ ১৮:০২:২৫
​সড়ক নয়, যেনো মরণফাঁদ *ছোট-বড় দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে *দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ ​সড়ক নয়, যেনো মরণফাঁদ *ছোট-বড় দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে *দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ

রাহাদ সুমন,বরিশাল প্রতিবেদক :

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের রাংতা থেকে চেংঙ্গুটিয়া পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক দিয়ে চলাচল সম্পূর্ণ অনুপোযোগী হয়ে পরেছে। দীর্ঘদিনে জনগুরুত্বপূর্ণ এ সড়কি সংস্কার না হওয়ায় পিচ উঠে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টিসহ সড়কে কাঁদা-পানি জমে সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পরেছেন গ্রামের হাজারো মানুষ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের অধিকাংশস্থানে পিচ উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দ। বৃষ্টিতে এসব গর্তে পানি জমে এবং কাঁদার স্তুপ তৈরি হয়ে যান চলাচল কার্যত অচল হয়ে পরেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছেন  অসুস্থ রোগী, সাধারণ পথচারী ও যানবাহনের চালকরা।

এই সড়ক দিয়ে চেংঙ্গুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাংতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চেংঙ্গুটিয়া আলিয়া মাদ্রাসা, ভাংগা মাদ্রাসা, রাংতা মাদ্রাসা, আগৈলঝাড়া সরকারি কলেজ ও সরকারি গৌরনদী কলেজের শিক্ষার্থীরা চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন। একইসাথে আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলা সদরে যাতায়াতে পাঁচ গ্রামের মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ এই সড়কটি ব্যবহার করতে হচ্ছে।

চেংঙ্গুটিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক শিরিন সুলতানা বলেন, শিশু শিক্ষার্থীদের এই রাস্তায় চলাচলে খুবই অসুবিধা হয়। শিক্ষার্থীরা হোঁচট খেয়ে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনার স্বীকার হয়।  

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রতিদিনই এ সড়কে ছোট-বড় দুর্ঘটনা লেগেই রয়েছে। ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও ভ্যান প্রায়ই খাদে পরে উল্টে যায়। এতে করে আহত হচ্ছেন যাত্রীরা। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে এ সড়কটি।

চেংঙ্গুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা তারিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, এই সড়ক দিয়ে অন্তত পাঁচটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করে। বর্ষা মৌসুমে এ সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচলতো দূরের কথা পায়ে হাঁটাও কঠিন হয়ে পরে। অনেক সময় কাঁদা মাড়িয়ে বাজারে গিয়ে তবেই যানবাহনে উঠতে হয়।

ভ্যান চালক আব্দুর গফুর হাওলাদার বলেন, খানাখন্দ আর কাঁদার কারণে গাড়ির চাকা পাংচার হয়, কন্ট্রোল বক্স ও মোটর বারবার নষ্ট হচ্ছে। এতে আমাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলার নির্বাহী প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, সড়কটির বিষয়ে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে দ্রুত সরেজমিনে পরিদর্শন করা হবে। আগামী জুন মাস নাগাদ সড়কটি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ